, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মনু প্রকল্পের জলাবদ্ধতা এবং কৃষি বিপর্যয় –

  • প্রকাশের সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • ৯৭ পড়া হয়েছে
মনু প্রকল্পের জলাবদ্ধতা এবং কৃষি বিপর্যয় –
টানা বর্ষণ জনিত জলাবদ্ধতায় মনু প্রকল্পাধীন কাউয়া দীঘি হাওর এলাকায় গত ইরি বোর মৌসুমের পাঁকা ধান গৃহস্থের গোলায় নাউঠে পানির নীচেই তলিয়ে গিয়েছিলো।হাওরের নীম্নান্চলের চাষাবাদকৃত জমিতে ছিলো গলা সমান পানি।এমতাবস্থায় ধানকাটা সম্ভব না হওয়াতে পানির সাথেই মিশেছিলো ধানের সৌষ্টব।অনেক কৃষক পরিবারে তাই জেঁকে বসেছে নীরব খাদ্য সঙ্কট।
প্রকৃত মেজাজ বুঝে উঠা দুস্কর।গত চৈত্রমাস থেকে যে বর্ষণ শুরু হয়েছে তার ধারা বাহিকতা এই আষাঢ়েও অব্যাহত আছে।ফলে সামনের রোপা আমন মৌসুমের চাষাবাদ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
মনু প্রকল্পের জল নিস্কাসন ও পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কাসিম পুরস্থ পাম্পহাউজ।কিন্তু স্তর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় বোর ইরি ধানের বড় অংশ তলিয়েছে পানির নীচে।এ দায়ভার কি পাম্প হাউজ নেবে?
চাষাবাদের ক্ষতি পুষিয়ে নেবার ক্ষেত্র ছিলো রোপা আমন চাষাবাদ।১৬ হাজার হেক্টরেরও অধিক পরিমাণ জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ হবার কথা।কিন্তু অর্ধেক পরিমাণ জমিতে মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই হাটু সমান পানি এখন থই থই করছে।তাহলে চাষাবাাদ হবে কেমনে?
পাম্পহাউজ পানি নিস্কাশন করছে।কিন্তু নিস্কাশনকে চ্যালেন্জ করছে মুষলধারে বৃষ্টি।অবস্থা হয়ে যাচ্ছে যেইসেই।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে পাম্প হাউজের ৮টি পাম্পের মধ্যে ৪টি সচল থাকে।সবকটি পাম্প চালু হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে আসার কথা।কিন্তু রহস্য জনকভাবে সবকটি পাম্প চালু থাকেনা বলে অভিযোগ রয়েছে।গুন্জন ছিলো -বৈশাখ মাসে হাওরে মাছের রেণু অবমুক্ত করা হয়েছিলো জলমহাল গ্রহীতার পক্ষে। পানি নিস্কাশন করা হলে পানির সাথে রেণুপোণা বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সেচ বন্ধ রাখা হয়েছিলো।তাই জলাবদ্ধতা অনিবার্য্য হয়ে উঠেছিলো।এখন যদি মাছের বিচরণ ক্ষেত্র প্রসারিত করণের জন্য জলাভূমির আওতাপ্রসারিত করা হয় হাওরের পানি নিস্কাশনে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে,তাহলে বলার কিছু নেই। মাছ উৎপাদন বাড়বে ,ধান উৎপাদন কমবে।লাভ ক্ষতির হিসাব নিকাশ এখানেই।এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকা ছাড়া বিকল্প নেই।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মনু প্রকল্পের জলাবদ্ধতা এবং কৃষি বিপর্যয় –

প্রকাশের সময় : ১২:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
মনু প্রকল্পের জলাবদ্ধতা এবং কৃষি বিপর্যয় –
টানা বর্ষণ জনিত জলাবদ্ধতায় মনু প্রকল্পাধীন কাউয়া দীঘি হাওর এলাকায় গত ইরি বোর মৌসুমের পাঁকা ধান গৃহস্থের গোলায় নাউঠে পানির নীচেই তলিয়ে গিয়েছিলো।হাওরের নীম্নান্চলের চাষাবাদকৃত জমিতে ছিলো গলা সমান পানি।এমতাবস্থায় ধানকাটা সম্ভব না হওয়াতে পানির সাথেই মিশেছিলো ধানের সৌষ্টব।অনেক কৃষক পরিবারে তাই জেঁকে বসেছে নীরব খাদ্য সঙ্কট।
প্রকৃত মেজাজ বুঝে উঠা দুস্কর।গত চৈত্রমাস থেকে যে বর্ষণ শুরু হয়েছে তার ধারা বাহিকতা এই আষাঢ়েও অব্যাহত আছে।ফলে সামনের রোপা আমন মৌসুমের চাষাবাদ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে।
মনু প্রকল্পের জল নিস্কাসন ও পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে কাসিম পুরস্থ পাম্পহাউজ।কিন্তু স্তর নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় বোর ইরি ধানের বড় অংশ তলিয়েছে পানির নীচে।এ দায়ভার কি পাম্প হাউজ নেবে?
চাষাবাদের ক্ষতি পুষিয়ে নেবার ক্ষেত্র ছিলো রোপা আমন চাষাবাদ।১৬ হাজার হেক্টরেরও অধিক পরিমাণ জমিতে রোপা আমন চাষাবাদ হবার কথা।কিন্তু অর্ধেক পরিমাণ জমিতে মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই হাটু সমান পানি এখন থই থই করছে।তাহলে চাষাবাাদ হবে কেমনে?
পাম্পহাউজ পানি নিস্কাশন করছে।কিন্তু নিস্কাশনকে চ্যালেন্জ করছে মুষলধারে বৃষ্টি।অবস্থা হয়ে যাচ্ছে যেইসেই।
সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে পাম্প হাউজের ৮টি পাম্পের মধ্যে ৪টি সচল থাকে।সবকটি পাম্প চালু হলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পানির স্তর নিয়ন্ত্রণে আসার কথা।কিন্তু রহস্য জনকভাবে সবকটি পাম্প চালু থাকেনা বলে অভিযোগ রয়েছে।গুন্জন ছিলো -বৈশাখ মাসে হাওরে মাছের রেণু অবমুক্ত করা হয়েছিলো জলমহাল গ্রহীতার পক্ষে। পানি নিস্কাশন করা হলে পানির সাথে রেণুপোণা বেরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় সেচ বন্ধ রাখা হয়েছিলো।তাই জলাবদ্ধতা অনিবার্য্য হয়ে উঠেছিলো।এখন যদি মাছের বিচরণ ক্ষেত্র প্রসারিত করণের জন্য জলাভূমির আওতাপ্রসারিত করা হয় হাওরের পানি নিস্কাশনে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে,তাহলে বলার কিছু নেই। মাছ উৎপাদন বাড়বে ,ধান উৎপাদন কমবে।লাভ ক্ষতির হিসাব নিকাশ এখানেই।এ জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকা ছাড়া বিকল্প নেই।