, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

মিথিলা কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী হয়েছেন।

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ২০ পড়া হয়েছে
অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
😄খুবই দুঃখের খবর। রাফিয়াত রশিদ মিথিলা কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী হয়েছেন। আর্ভিং ইনস্টিটিউটে বসে নিউইয়র্কের শিশু আর পরিবার নিয়ে একটা প্রকল্পের নকশা ও মূল্যায়নের নেতৃত্ব দেবেন। জন্ম থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের বেড়ে ওঠা নিয়ে কাজ।
এটা কি মানা যায়?
হিসাব তো অন্য রকম ছিল। দুই বিয়ে করা মেয়ে। তার থাকার কথা ঘরের কোণে, আঁচলে নাক মুছতে মুছতে। চোখের পানি আর নাকের পানিতে জীবন পার করবে। আমরা দূর থেকে বলব, দেখলে তো, কী পরিণতি!
অথচ তিনি কী করলেন? ব্র্যাকে কুড়ি বছর কাজ করলেন, তার পনেরো বছর আন্তর্জাতিক পরিসরে। এখন আবার সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট পড়াচ্ছেন। কাঁদার সময়টুকুও রাখেননি।
আমাদের এত দিনের পরিশ্রম বৃথা গেল। কত কমেন্ট, কত ট্রল, কত চরিত্র বিশ্লেষণ! এত খাটুনির পরও একটা মেয়ে ভাঙল না। উল্টো গবেষক হয়ে গেল।
নারী বিজ্ঞানী হোক, আপত্তি নেই। তবে আগে আমাদের কাছ থেকে চরিত্রের সনদটা নিয়ে যাক। সংসার টিকল কি না, সেই পরীক্ষায় পাস করুক। তারপর না হয় গবেষণা।
মিথিলা সেই সনদ নিতে আসেননি। সোজা কলম্বিয়ায় চলে গেছেন।
কষ্টটা আসলে এখানেই।
Jannatul Ferdaus’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

মিথিলা কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী হয়েছেন।

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
অনলাইন রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
😄খুবই দুঃখের খবর। রাফিয়াত রশিদ মিথিলা কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী হয়েছেন। আর্ভিং ইনস্টিটিউটে বসে নিউইয়র্কের শিশু আর পরিবার নিয়ে একটা প্রকল্পের নকশা ও মূল্যায়নের নেতৃত্ব দেবেন। জন্ম থেকে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের বেড়ে ওঠা নিয়ে কাজ।
এটা কি মানা যায়?
হিসাব তো অন্য রকম ছিল। দুই বিয়ে করা মেয়ে। তার থাকার কথা ঘরের কোণে, আঁচলে নাক মুছতে মুছতে। চোখের পানি আর নাকের পানিতে জীবন পার করবে। আমরা দূর থেকে বলব, দেখলে তো, কী পরিণতি!
অথচ তিনি কী করলেন? ব্র্যাকে কুড়ি বছর কাজ করলেন, তার পনেরো বছর আন্তর্জাতিক পরিসরে। এখন আবার সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কে ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট পড়াচ্ছেন। কাঁদার সময়টুকুও রাখেননি।
আমাদের এত দিনের পরিশ্রম বৃথা গেল। কত কমেন্ট, কত ট্রল, কত চরিত্র বিশ্লেষণ! এত খাটুনির পরও একটা মেয়ে ভাঙল না। উল্টো গবেষক হয়ে গেল।
নারী বিজ্ঞানী হোক, আপত্তি নেই। তবে আগে আমাদের কাছ থেকে চরিত্রের সনদটা নিয়ে যাক। সংসার টিকল কি না, সেই পরীক্ষায় পাস করুক। তারপর না হয় গবেষণা।
মিথিলা সেই সনদ নিতে আসেননি। সোজা কলম্বিয়ায় চলে গেছেন।
কষ্টটা আসলে এখানেই।
Jannatul Ferdaus’s Post
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।