, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি

  • প্রকাশের সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ৯২ পড়া হয়েছে

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী লীগ করে, এদের মধ্যে রাগ আছে, অভিমান আছে, ক্রোধ আছে, পরস্পরের প্রতি বিক্ষোভ আছে, অন্তর্দ্বন্দ্ব আছে, কলহ আছে, বিবাদ আছে, কিন্তু দলের প্রতি আর দলের নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাদের যে সমর্থন বা ভালোবাসা, সেটা একটুও কমেনি, বরং আরো বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি ফেসবুক ভিত্তিক একটি প্ল্যাটফর্মে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি বা জামায়াত এখন ক্ষমতায় আছে। এদের মধ্যে অনেকগুলো সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে। যেগুলো তারা যখন বিরোধীদলে ছিল তখন ছিল না। আবার এখন আওয়ামী লীগের মধ্যে যে মমতাবোধ, প্রেম-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে এবং এখন তারা যেভাবে দলের জন্য কাজ করতে এবং বাংলাদেশে ফিরে আসতে যেভাবে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যায় যায় অবস্থা থেকে যেভাবে পকেটের টাকা খরচ করছে, সেটি দল ক্ষমতায় থাকতে তারা কখনো পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীগকে বলবো এটি মাইলস্টোন, এটি হিমালয়, এটি সমুদ্র, এটি বঙ্গোপসাগর, এটি পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। আপনি যা-ই বলেন না কেনো, আপনি যদি বাংলাদেশ ধরেন, তাহলে এদেশের কেউক্রাডং বা আপনি যদি উত্তরবঙ্গে যান, সেখান থেকে যে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়, সে কাঞ্চনজঙ্ঘা রূপ, কিংবা আপনি যদি কক্সবাজার যান তাহলে বঙ্গোপসাগরের রূপ, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার রূপ, এগুলো ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না। একই ভাবে রাজনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এখন এরকম একটা অবস্থায় তৈরি করে ফেলেছে, প্রায় ৭০ বছরে তাদের যে সুদীর্ঘ রাজনীতির ইতিহাস, সে ইতিহাসে তারা যে লিগ্যাসি তৈরি করে ফেলেছে, এই কারণে বাংলাদেশে যদি মিলিটিরি শাসন আসে, ডিক্টেটরশিপ আসে, একজন মুসলেনি আসে, একজন হিটলার আসে, তখন হয়তো আওয়ামী লীগের নাম সেইভাবে উচ্চারিত হবে না। কিন্তু যখন আপনি রাজনীতির কথা বলবেন, দলের কথা বলবেন, বিএনপি-এনসিপির কথা বলবেন, আওয়ামী লীগের কথা বলবেন না, কিন্তু জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির কথা বলবেন, তা হবে না।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের প্রতি নেতাকর্মীদের ভালোবাসা কমেনি

প্রকাশের সময় : ০২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

সাবেক সংসদ সদস্য ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেছেন, যারা সরাসরি আওয়ামী লীগ করে, এদের মধ্যে রাগ আছে, অভিমান আছে, ক্রোধ আছে, পরস্পরের প্রতি বিক্ষোভ আছে, অন্তর্দ্বন্দ্ব আছে, কলহ আছে, বিবাদ আছে, কিন্তু দলের প্রতি আর দলের নেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি তাদের যে সমর্থন বা ভালোবাসা, সেটা একটুও কমেনি, বরং আরো বেড়ে গেছে।

সম্প্রতি ফেসবুক ভিত্তিক একটি প্ল্যাটফর্মে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি বা জামায়াত এখন ক্ষমতায় আছে। এদের মধ্যে অনেকগুলো সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে। যেগুলো তারা যখন বিরোধীদলে ছিল তখন ছিল না। আবার এখন আওয়ামী লীগের মধ্যে যে মমতাবোধ, প্রেম-ভালোবাসা তৈরি হয়েছে এবং এখন তারা যেভাবে দলের জন্য কাজ করতে এবং বাংলাদেশে ফিরে আসতে যেভাবে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যায় যায় অবস্থা থেকে যেভাবে পকেটের টাকা খরচ করছে, সেটি দল ক্ষমতায় থাকতে তারা কখনো পারেনি।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য আওয়ামী লীগকে বলবো এটি মাইলস্টোন, এটি হিমালয়, এটি সমুদ্র, এটি বঙ্গোপসাগর, এটি পদ্মা-মেঘনা-যমুনা। আপনি যা-ই বলেন না কেনো, আপনি যদি বাংলাদেশ ধরেন, তাহলে এদেশের কেউক্রাডং বা আপনি যদি উত্তরবঙ্গে যান, সেখান থেকে যে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়, সে কাঞ্চনজঙ্ঘা রূপ, কিংবা আপনি যদি কক্সবাজার যান তাহলে বঙ্গোপসাগরের রূপ, পদ্মা-মেঘনা-যমুনার রূপ, এগুলো ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনা করা যায় না। একই ভাবে রাজনীতির ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ এখন এরকম একটা অবস্থায় তৈরি করে ফেলেছে, প্রায় ৭০ বছরে তাদের যে সুদীর্ঘ রাজনীতির ইতিহাস, সে ইতিহাসে তারা যে লিগ্যাসি তৈরি করে ফেলেছে, এই কারণে বাংলাদেশে যদি মিলিটিরি শাসন আসে, ডিক্টেটরশিপ আসে, একজন মুসলেনি আসে, একজন হিটলার আসে, তখন হয়তো আওয়ামী লীগের নাম সেইভাবে উচ্চারিত হবে না। কিন্তু যখন আপনি রাজনীতির কথা বলবেন, দলের কথা বলবেন, বিএনপি-এনসিপির কথা বলবেন, আওয়ামী লীগের কথা বলবেন না, কিন্তু জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির কথা বলবেন, তা হবে না।