, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিনেমা হলের আধুনিকায়ন ও দর্শক ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেবে সরকার :প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আওয়ামী লীগেরপুনরুত্থান ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত:সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সারের ডিলার নিয়োগে পয়সার বিনিময়ে লাইসেন্স:এমপি প্রশাসনে অপারেশন ক্লিনহার্ট” চালানো দরকার।’ জেলা প্রশাসন এমপিকে পাত্তা দিচ্ছেন না:পরিষ্কার বললাম।অভদ্র হতে বাধ্য করবেন না জামায়াত এমপি সৌদি বিমানবন্দর বন্ধ৫১ ফ্লাইট বাতিলঢাকা থেকে৫ হাজার ৪১৮ যাত্রী ক্ষতিগ্রস্ত ধর্ম নয়, নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী মায়েদের সঙ্গে কারাগারে বন্দি ৩০৩ শিশু পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী:আটক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে পুলিশি বাধার মুখে এনসিপি নেতারা ২৯ জুলাই ২০২৬,

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
  • ৬৮ পড়া হয়েছে

২৯ জুলাই ২০২৬,

হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গলের প্রবেশমুখ ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় এনসিপির গাড়িবহরে এ বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

সেখানে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক যথাক্রমে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি এবং সারোয়ার তুষারসহ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এনসিপি নেতাদের বহরে প্রায় ১০টি মাইক্রোবাস রয়েছে। অপরদিকে চা-কন্যা এলাকায় শতাধিক পুলিশ মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে আটকে রেখেছেন। গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এনসিপি নেতারা। ১৪৪ ধারার মধ্যে পুলিশ এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে না যেতে বলছে। অপরদিকে এনসিপি নেতারা পুলিশি বাধা তুলে নেওয়ার কথা বলছেন।

এ ঘটনা বুধবার এনসিপি তাদের মৌলভীবাজার জেলায় দুটি ‘জুলাই পদযাত্রা’ সাময়িক স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপির পৃথক কর্মসূচির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শহরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

হবিগঞ্জের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় পুলিশ রয়েছেন। তারা সতর্ক রয়েছেন।

জনপ্রিয়

সিনেমা হলের আধুনিকায়ন ও দর্শক ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগ নেবে সরকার :প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী

শ্রীমঙ্গলে পুলিশি বাধার মুখে এনসিপি নেতারা ২৯ জুলাই ২০২৬,

প্রকাশের সময় : ০৭:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

২৯ জুলাই ২০২৬,

হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় পূর্বঘোষিত প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহর আটকে দিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গলের প্রবেশমুখ ‘চা-কন্যা’ ভাস্কর্য এলাকায় এনসিপির গাড়িবহরে এ বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

সেখানে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক যথাক্রমে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি। এছাড়া কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ এমপি এবং সারোয়ার তুষারসহ কেন্দ্রীয় বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, এনসিপি নেতাদের বহরে প্রায় ১০টি মাইক্রোবাস রয়েছে। অপরদিকে চা-কন্যা এলাকায় শতাধিক পুলিশ মূল সড়কে অবস্থান নিয়ে আটকে রেখেছেন। গাড়ি থেকে নেমে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন এনসিপি নেতারা। ১৪৪ ধারার মধ্যে পুলিশ এনসিপি নেতাদের হবিগঞ্জে না যেতে বলছে। অপরদিকে এনসিপি নেতারা পুলিশি বাধা তুলে নেওয়ার কথা বলছেন।

এ ঘটনা বুধবার এনসিপি তাদের মৌলভীবাজার জেলায় দুটি ‘জুলাই পদযাত্রা’ সাময়িক স্থগিত করে হবিগঞ্জ শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে জেলা ছাত্রদল ও বিএনপির পৃথক কর্মসূচির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে শহরে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এছাড়া ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

হবিগঞ্জের একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, তারা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জের সীমান্ত এলাকায় পুলিশ রয়েছেন। তারা সতর্ক রয়েছেন।