, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হাদি হত্যায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজনকে

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ১০৩ পড়া হয়েছে

অনলাইন০৩ জুন ২০২৬,

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজনকে জড়িয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন তার বড় ভাই শরীফ ওমর হাদি। 

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টগুলোতে তিনি দেশের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন।

এর মধ্যে সর্বশেষ পোস্টে তিনি হাদি হত্যায় জামায়াত আমিরের এক পিএস জড়িত বলে অভিযোগ তোলেন। আর আগেরটিতে অন্তর্বর্তী এবং বিএনপি সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ও এমপি-মন্ত্রী ‘সরাসরি জড়িত’ বলে দাবি করেন ওমর বিন হাদি।

এই দুটি পোস্ট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।

এমনকি ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ওমর হাদির নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা নিয়েও সংশয় জানিয়েছেন কেউ কেউ।

প্রথম পোস্টে ওমর হাদি লেখেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির খুনের সঙ্গে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং বিএনপি সরকারের কয়েকজন এমপি-মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন। হাদি হত্যার বিচার না করলে আপনাকেও এরা হত্যা করবে। যেভাবে আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে।

হাদি হত্যার বিচার আপনি না করলে আপনাকে হত্যা করলেও কেউ বিচার করবে না। হাদি হত্যার বিচার বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য রেড লাইন। হাদি হত্যার বিচার করুন।’

দ্বিতীয় পোস্টটিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামায়াতের একজন ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।’

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে কর্মরত (চুক্তিভিত্তিক) রয়েছেন ওমর বিন হাদি। তিনি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে এ ধরনের পোস্ট দিতে পারেন কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন, তিনি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। কেউ বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা তিনি মানেননি।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ব্যক্তিগত’ অথবা ‘পেশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়’—এমন বিষয়ে ফেসবুকে ছবি দিতে ও লিখতে পারবেন না সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। শুধু উদ্ভাবনমূলক ও সরকারি কাজের ইতিবাচক দিক নিয়ে লিখতে ও শেয়ার করতে পারবেন কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হাদি হত্যায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজনকে

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

অনলাইন০৩ জুন ২০২৬,

ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যায় দেশের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজনকে জড়িয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন তার বড় ভাই শরীফ ওমর হাদি। 

মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া ওই পোস্টগুলোতে তিনি দেশের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন।

এর মধ্যে সর্বশেষ পোস্টে তিনি হাদি হত্যায় জামায়াত আমিরের এক পিএস জড়িত বলে অভিযোগ তোলেন। আর আগেরটিতে অন্তর্বর্তী এবং বিএনপি সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা ও এমপি-মন্ত্রী ‘সরাসরি জড়িত’ বলে দাবি করেন ওমর বিন হাদি।

এই দুটি পোস্ট নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।

এমনকি ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি ওমর হাদির নিয়ন্ত্রণে আছে কি না তা নিয়েও সংশয় জানিয়েছেন কেউ কেউ।

প্রথম পোস্টে ওমর হাদি লেখেন, ‘শহীদ ওসমান হাদির খুনের সঙ্গে ইন্টেরিম সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা এবং বিএনপি সরকারের কয়েকজন এমপি-মন্ত্রী সরাসরি জড়িত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাদি হত্যার সঙ্গে জড়িত সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করুন। হাদি হত্যার বিচার না করলে আপনাকেও এরা হত্যা করবে। যেভাবে আপনার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেছে।

হাদি হত্যার বিচার আপনি না করলে আপনাকে হত্যা করলেও কেউ বিচার করবে না। হাদি হত্যার বিচার বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের জন্য রেড লাইন। হাদি হত্যার বিচার করুন।’

দ্বিতীয় পোস্টটিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘শহীদ ওসমান হাদি হত্যার প্রেক্ষাপট তৈরিতে আমিরে জামায়াতের একজন ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) জড়িত। হাদিকে ঢাকা-০৮ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রেসার দিছে আমাদের।’

যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে কর্মরত (চুক্তিভিত্তিক) রয়েছেন ওমর বিন হাদি। তিনি সরকারি কর্মকর্তা হয়ে এ ধরনের পোস্ট দিতে পারেন কি না, এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ বলছেন, তিনি বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। কেউ বলছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ফেসবুক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তা তিনি মানেননি।

গত বছরের ২৮ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এসংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘ব্যক্তিগত’ অথবা ‘পেশার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়’—এমন বিষয়ে ফেসবুকে ছবি দিতে ও লিখতে পারবেন না সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। শুধু উদ্ভাবনমূলক ও সরকারি কাজের ইতিবাচক দিক নিয়ে লিখতে ও শেয়ার করতে পারবেন কর্মকর্তারা।