, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উসকানি: ট্রাইব্যুনালে ৩ সাংবাদিককে হাজির

  • প্রকাশের সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৪৭ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬,

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতাকে দমনে উসকানির অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

এই দিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

অপর দুই সাংবাদিক হলেন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু ও একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক উপস্থাপক ফারজানা রুপা। শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক ছিলেন।

প্রসিকিউশন জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গত ১৭ আগস্ট তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ হাজির করতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। তিনজনকেই এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতেন কিছু নির্দিষ্ট সাংবাদিক। তারা যেসব বক্তব্য দিতেন, সেসব কোনো প্রশ্ন ছিল না। ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা। তাকে দিয়ে নির্দিষ্ট কথা বলানোর জন্য কিছু উসকানিমূলক প্রস্তাব। এ কারণেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

প্রসিকিউশন জানায়, এটি কোনো পুরোনো মামলার অংশ নয়। নতুন করে হওয়া ‘মিস কেস’ বা বিবিধ মামলা। এ ঘটনায় ১৪ জুলাইয়ের উসকানিমূলক প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে উসকানি: ট্রাইব্যুনালে ৩ সাংবাদিককে হাজির

প্রকাশের সময় : ০১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬,

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতাকে দমনে উসকানির অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শ্যামল দত্তসহ তিন সাংবাদিককে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।

এই দিন ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

অপর দুই সাংবাদিক হলেন একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু ও একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক উপস্থাপক ফারজানা রুপা। শ্যামল দত্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক ছিলেন।

প্রসিকিউশন জানায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গত ১৭ আগস্ট তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ হাজির করতে বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। তিনজনকেই এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হবে।

প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর প্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকদের দায়িত্ব। কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতেন কিছু নির্দিষ্ট সাংবাদিক। তারা যেসব বক্তব্য দিতেন, সেসব কোনো প্রশ্ন ছিল না। ছিল তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা। তাকে দিয়ে নির্দিষ্ট কথা বলানোর জন্য কিছু উসকানিমূলক প্রস্তাব। এ কারণেই অপরাধ সংঘটিত হয়েছে।

প্রসিকিউশন জানায়, এটি কোনো পুরোনো মামলার অংশ নয়। নতুন করে হওয়া ‘মিস কেস’ বা বিবিধ মামলা। এ ঘটনায় ১৪ জুলাইয়ের উসকানিমূলক প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি এখনও তদন্তাধীন।