, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

  • প্রকাশের সময় : ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ১৫৮ পড়া হয়েছে

 অনলাইন

মঙ্গলবার আদালত ট্রাম্পের সেই নির্বাহী আদেশকে কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের দীর্ঘদিনের প্রচলিত অধিকার সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শত বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত থাকা জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতিতে পরিবর্তন আনার এই উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে শুরু থেকেই এই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই একটি নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুর স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের অধিকার বাতিলের উদ্যোগ নেন। প্রশাসনের যুক্তি ছিল, বর্তমান ব্যবস্থার অপব্যবহার হচ্ছে এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোর পরিবর্তন প্রয়োজন।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায়। তাদের দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত একটি অধিকার, যা শুধু প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় আইনি বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একটি নীতি, যেখানে দেশটির ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া অধিকাংশ শিশুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পায়। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এই নীতির অন্যতম বড় উদাহরণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় শুধু অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রেই নয়, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার সীমা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন একাধিক ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

প্রকাশের সময় : ১২:৩১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

 অনলাইন

মঙ্গলবার আদালত ট্রাম্পের সেই নির্বাহী আদেশকে কার্যত অকার্যকর করে দিয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্বের দীর্ঘদিনের প্রচলিত অধিকার সীমিত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

শত বছরের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রচলিত থাকা জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতিতে পরিবর্তন আনার এই উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে শুরু থেকেই এই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছিল।

ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদের শুরুতেই একটি নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া কিছু শিশুর স্বয়ংক্রিয় নাগরিকত্বের অধিকার বাতিলের উদ্যোগ নেন। প্রশাসনের যুক্তি ছিল, বর্তমান ব্যবস্থার অপব্যবহার হচ্ছে এবং অভিবাসন নীতিতে কঠোর পরিবর্তন প্রয়োজন।

তবে অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং কয়েকটি অঙ্গরাজ্য এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায়। তাদের দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত একটি অধিকার, যা শুধু প্রেসিডেন্টের নির্বাহী আদেশ দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির জন্য একটি বড় আইনি বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একটি নীতি, যেখানে দেশটির ভূখণ্ডে জন্ম নেওয়া অধিকাংশ শিশুই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নাগরিকত্ব পায়। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র এই নীতির অন্যতম বড় উদাহরণ।

বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় শুধু অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রেই নয়, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার সীমা নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছে। কারণ ট্রাম্প প্রশাসন একাধিক ক্ষেত্রে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের চেষ্টা করছে।