, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

৫ আগস্ট ২০২৪লাখো তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন ভেঙেছে,

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
  • ৬৯ পড়া হয়েছে
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪ এর ধ্বংসলীলায় শুধু আমি একা নিঃস্ব হইনি।আমার মত লাখো লাখো তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন ভেঙেছে,ধ্বংস হয়েছে মূলধন।সেই সাথে নিকট জনের দ্বারা মানসিকভাবে হয়রানি,আর্থিক ক্ষতি সহ নানান রকম হেনস্থার মাঝে ও,আমরা যারা এখনো বেঁচে আছি,তারা সবাই হয়তো একদিন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত হয়ে যাব বা গেছি। কিন্তু এই দুঃসময়ে ঘটে যাওয়া আমাদের সাথে নানান রকমের যে দুঃসহ স্মৃতি,তা কি আমরা এত সহজে ভুলে যাব? একটা দেশ বা দলের সবাই কি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়? যদি না হয় তবে দুর্নীতির দায় নির্দোষ রা কেন ভোগ করবে? ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত কথা বললেই হামলা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার,অশ্লীল ফটো কার্ডের ব্যবহার।যারা অশ্লীল দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে তারা কার্যত অলস,অকর্মণ্য,সমাজের বোঝা। শয়তানের বংশধর। এরা নিজেরা কোন কর্ম করতে জানেনা,তাই অন্যের পরিশ্রমের কষ্ট বোঝে না,মর্যাদা ও দিতে জানেনা।তাদের কাছে অর্থ উপার্জনের রাস্তা শুধু দুইটা ছেলেরা করবে চাঁদাবাজি ছিনতাই,আর মেয়েরা যাবে অন্যের বিছানায়।তারা সমাজের সকল সম্মানী নারী যারা নিজেদের মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে নিজেদেরকে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে তাদের সকলকে পতিতার সঙ্গে তুলনা করে।
কার্যত এরা নিজের বাড়ির মা,বোন,স্ত্রী ও কন্যা সকলকে একই চোখে দেখে।এই সমস্ত কুরুচিপূর্ণ পুরুষের দ্বারা তার নিজের ওড়স জাত কন্যাসন্তান ও ধর্ষিত হয়।এই সমস্ত অসুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সমাজের বোঝা তাদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি বা মন্তব্যকারী কারো পরিশ্রমকে ধ্বংস করতে পারে না। রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তন হলে অনেক কিছুই ঘটে এটা যুগ যুগের ইতিহাস যা আজও বহমান।তবে পৃথিবীর সকল দেশের যে সকল ইতিহাস তৈরি হয়েছে সেই ইতিহাসে এক দল অপরাধী এবং একদল বীর পুরুষের গল্পই লেখা থাকে। এবং অপরাধী চক্র সব সময় বীর পুরুষদের চরিত্র হনন থেকে শুরু করে তাদের উপর নানান রকম মিথ্যা দোষারোপ করে থাকে,আর আর এই মিথ্যার আশ্রয় তাদের মূল অস্ত্র। ভালো-মন্দ উভয় দিকই ইতিহাসে রচিত থাকে পরবর্তী প্রজন্ম সেই ইতিহাস থেকে ভালো নাকি মন্দ গ্রহণ করবে সেটা ওই প্রজন্মের চিন্তাশক্তির উপর নির্ভর করে। এবং সকল সমাজে সকল প্রগতিশীল চিন্তাশীল মানুষের কাজ সত্যকে উপস্থাপন করে,যা সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করে‌।আমি ও বিশ্বাস করি কর্মই ধর্ম , তাই কোন অলস,অপদার্থ ব্যক্তিকে আমি আমার প্রতিযোগি মনে করা তো দূরের কথা,তাকে নিয়ে বা তার কোন অশালীন মন্তব্য নিয়ে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করার সময় আমার হাতে নেই ।আমি সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার যা দায়িত্ব আমি তা পালন করছি।তা নিয়ে কে কি ভাবলো,কে কি করলো সেটা দেখার সময় আমার নেই।ধন্যবাদ সবাইকে।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।
জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

৫ আগস্ট ২০২৪লাখো তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন ভেঙেছে,

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
অনলাইন সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
৫ আগস্ট ২০২৪ এর ধ্বংসলীলায় শুধু আমি একা নিঃস্ব হইনি।আমার মত লাখো লাখো তরুণ-তরুণীর স্বপ্ন ভেঙেছে,ধ্বংস হয়েছে মূলধন।সেই সাথে নিকট জনের দ্বারা মানসিকভাবে হয়রানি,আর্থিক ক্ষতি সহ নানান রকম হেনস্থার মাঝে ও,আমরা যারা এখনো বেঁচে আছি,তারা সবাই হয়তো একদিন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত হয়ে যাব বা গেছি। কিন্তু এই দুঃসময়ে ঘটে যাওয়া আমাদের সাথে নানান রকমের যে দুঃসহ স্মৃতি,তা কি আমরা এত সহজে ভুলে যাব? একটা দেশ বা দলের সবাই কি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়? যদি না হয় তবে দুর্নীতির দায় নির্দোষ রা কেন ভোগ করবে? ন্যায় ও যুক্তিসঙ্গত কথা বললেই হামলা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার,অশ্লীল ফটো কার্ডের ব্যবহার।যারা অশ্লীল দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে তারা কার্যত অলস,অকর্মণ্য,সমাজের বোঝা। শয়তানের বংশধর। এরা নিজেরা কোন কর্ম করতে জানেনা,তাই অন্যের পরিশ্রমের কষ্ট বোঝে না,মর্যাদা ও দিতে জানেনা।তাদের কাছে অর্থ উপার্জনের রাস্তা শুধু দুইটা ছেলেরা করবে চাঁদাবাজি ছিনতাই,আর মেয়েরা যাবে অন্যের বিছানায়।তারা সমাজের সকল সম্মানী নারী যারা নিজেদের মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে নিজেদেরকে সমাজে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে তাদের সকলকে পতিতার সঙ্গে তুলনা করে।
কার্যত এরা নিজের বাড়ির মা,বোন,স্ত্রী ও কন্যা সকলকে একই চোখে দেখে।এই সমস্ত কুরুচিপূর্ণ পুরুষের দ্বারা তার নিজের ওড়স জাত কন্যাসন্তান ও ধর্ষিত হয়।এই সমস্ত অসুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ সমাজের বোঝা তাদের অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি বা মন্তব্যকারী কারো পরিশ্রমকে ধ্বংস করতে পারে না। রাজনৈতিক পটভূমি পরিবর্তন হলে অনেক কিছুই ঘটে এটা যুগ যুগের ইতিহাস যা আজও বহমান।তবে পৃথিবীর সকল দেশের যে সকল ইতিহাস তৈরি হয়েছে সেই ইতিহাসে এক দল অপরাধী এবং একদল বীর পুরুষের গল্পই লেখা থাকে। এবং অপরাধী চক্র সব সময় বীর পুরুষদের চরিত্র হনন থেকে শুরু করে তাদের উপর নানান রকম মিথ্যা দোষারোপ করে থাকে,আর আর এই মিথ্যার আশ্রয় তাদের মূল অস্ত্র। ভালো-মন্দ উভয় দিকই ইতিহাসে রচিত থাকে পরবর্তী প্রজন্ম সেই ইতিহাস থেকে ভালো নাকি মন্দ গ্রহণ করবে সেটা ওই প্রজন্মের চিন্তাশক্তির উপর নির্ভর করে। এবং সকল সমাজে সকল প্রগতিশীল চিন্তাশীল মানুষের কাজ সত্যকে উপস্থাপন করে,যা সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করে‌।আমি ও বিশ্বাস করি কর্মই ধর্ম , তাই কোন অলস,অপদার্থ ব্যক্তিকে আমি আমার প্রতিযোগি মনে করা তো দূরের কথা,তাকে নিয়ে বা তার কোন অশালীন মন্তব্য নিয়ে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করার সময় আমার হাতে নেই ।আমি সমাজের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার যা দায়িত্ব আমি তা পালন করছি।তা নিয়ে কে কি ভাবলো,কে কি করলো সেটা দেখার সময় আমার নেই।ধন্যবাদ সবাইকে।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।