, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী:আটক কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রোটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের রবার্ট ই হল ও মাইকেল উডফোর্ড দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ কোনো মন্তব্য করতে রা‌জি নয়: শামা ওবায়েদ জিএম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলা গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ?

  • প্রকাশের সময় : ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
  • ২৮ পড়া হয়েছে

 বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২৬

আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম দুর্ধর্ষ যুদ্ধ নকশী বিওপি যুদ্ধের দিন।
.ঐতিহাসিক নকশীর যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেজর জেনারেল আমিন আহম্মেদ চৌধুরী বীর বিক্রম। নকশী বিওপির যুদ্ধে আমীন আহম্মেদ চৌধুরী ডান পায়ে মর্টার শেল লেগেছিলো। গুরুতর আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যে ২৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিলো তাঁর মধ্যে অন্যতম ছিলেন আমীন আহম্মদ চৌধুরী।
.
আমীন আহম্মেদ চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার কারনে এক দিনেই তাঁর পরিবারের ৫ সদস্যকে হারিয়েছিলেন। তাঁর দুই ভাই শহীদ ছেরাজুল হক ও শহীদ আবদুল মতিন অবশ্য মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে শহীদ হয়েছিলেন। এক পরিবারেই ৭ জন শহীদ তাঁদের।
.
আমীন আহম্মেদ চৌধুরীর বাবা দুর্ধর্ষ পুলিশ অফিসার সুলতান আহম্মদ চৌধুরীকে অবশ্য পায়নি হানাদারেরা। তাঁর দাদা বৃদ্ধ হোসেন উদ্দিন আহম্মেদ সহ, তাঁর চাচা জ্যেঠা মোট পাঁচজনকে হত্যা করেছিলো তাঁরা।
.
পরবর্তীতে ওমানের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কর্মরত ছিলেন মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীর বিক্রম। তখনকার সময়ে ৪০ বছর পর ওমানের বাদশাহ কর্তৃক প্রথম কোন বিদেশী কূটনীতিক ওমানে ‘এ.এল.এন.ইউ.এম.এ.এন’ পদকে ভূষিত হয়েছিলো। বাংলাদেশে প্রথম সাফ গেমস আয়োজনে তাঁর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
.
আজ নকশীর যুদ্ধ দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এই যুদ্ধের নেতৃত্বেদানকারী দুর্ধর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম কে। তাঁকে আমরা ১৩ বছর আগে হারিয়েছিলাম।
.
বিঃদ্রঃ- (আজ ফেনীতে শহীদ মার্কেট নামে যে মার্কেট এতো পরিচিত তা শহীদ হোসেন উদ্দিন চৌধুরীর জমিতে তৈরী হয়েছিলো। তাই এই মার্কেট এর নাম শহীদ হোসেন উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বিপণিবিতান)
.
ছবিতে ফেনীর ফুলগাজীর আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।

আহমাদ ইশতিয়াক’s Post

আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।
জনপ্রিয়

পূর্ণাঙ্গ রায়:ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে

প্রকাশের সময় : ০৫:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬

 বুধবার, ০৫ আগস্ট, ২০২৬

আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অন্যতম দুর্ধর্ষ যুদ্ধ নকশী বিওপি যুদ্ধের দিন।
.ঐতিহাসিক নকশীর যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেজর জেনারেল আমিন আহম্মেদ চৌধুরী বীর বিক্রম। নকশী বিওপির যুদ্ধে আমীন আহম্মেদ চৌধুরী ডান পায়ে মর্টার শেল লেগেছিলো। গুরুতর আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে যে ২৪ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিলো তাঁর মধ্যে অন্যতম ছিলেন আমীন আহম্মদ চৌধুরী।
.
আমীন আহম্মেদ চৌধুরী মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেয়ার কারনে এক দিনেই তাঁর পরিবারের ৫ সদস্যকে হারিয়েছিলেন। তাঁর দুই ভাই শহীদ ছেরাজুল হক ও শহীদ আবদুল মতিন অবশ্য মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে শহীদ হয়েছিলেন। এক পরিবারেই ৭ জন শহীদ তাঁদের।
.
আমীন আহম্মেদ চৌধুরীর বাবা দুর্ধর্ষ পুলিশ অফিসার সুলতান আহম্মদ চৌধুরীকে অবশ্য পায়নি হানাদারেরা। তাঁর দাদা বৃদ্ধ হোসেন উদ্দিন আহম্মেদ সহ, তাঁর চাচা জ্যেঠা মোট পাঁচজনকে হত্যা করেছিলো তাঁরা।
.
পরবর্তীতে ওমানের রাষ্ট্রদূত হিসেবেও কর্মরত ছিলেন মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীর বিক্রম। তখনকার সময়ে ৪০ বছর পর ওমানের বাদশাহ কর্তৃক প্রথম কোন বিদেশী কূটনীতিক ওমানে ‘এ.এল.এন.ইউ.এম.এ.এন’ পদকে ভূষিত হয়েছিলো। বাংলাদেশে প্রথম সাফ গেমস আয়োজনে তাঁর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়।
.
আজ নকশীর যুদ্ধ দিবসে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এই যুদ্ধের নেতৃত্বেদানকারী দুর্ধর্ষ কমান্ডার মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম কে। তাঁকে আমরা ১৩ বছর আগে হারিয়েছিলাম।
.
বিঃদ্রঃ- (আজ ফেনীতে শহীদ মার্কেট নামে যে মার্কেট এতো পরিচিত তা শহীদ হোসেন উদ্দিন চৌধুরীর জমিতে তৈরী হয়েছিলো। তাই এই মার্কেট এর নাম শহীদ হোসেন উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বিপণিবিতান)
.
ছবিতে ফেনীর ফুলগাজীর আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।

আহমাদ ইশতিয়াক’s Post

আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।
 মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

আনন্দপুরের চৌধুরী বাড়ির সামনের স্মৃতিফলক ও আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম।