, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

কোটা আন্দোলনের চালিকাশক্তি ছিল জামায়াত-শিবির

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
  • ৪০ পড়া হয়েছে

অনলাইন বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে থাকা নেপথ্য শক্তির ভয়ংকর গোপন পরিকল্পনা নিয়ে পুলিশের সাবেক বিশেষ শাখা (এসবি) প্রধান মনিরুল ইসলামের চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছেন!
তিনি বলেন― আন্দোলনের দৃশ্যমান মুখ সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলেও পেছনের মূল চালিকাশক্তি ছিল জামায়াত-শিবির ও তাদের দেশি-বিদেশি নেটওয়ার্ক।
গোয়েন্দা রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রলীগের ভেতরেও ছদ্মবেশী ‘গুপ্ত শিবির’ ঢুকে পড়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে হলছাড়া করাসহ সুনির্দিষ্ট রুমগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল।
হারুনের কাস্টডিতে থাকা মূল সমন্বয়করা আন্দোলন প্রত্যাহারে প্রস্তুত হলেও নিয়ন্ত্রণ জামায়াতের হাতে চলে যায় বলে একটি ইন্টারসেপ্টেড অডিওর সূত্রে তিনি দাবি করেন। জামায়াত নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছিল যে ছয় সমন্বয়ক আন্দোলন থামালেও তারা থামবে না, কারণ নতুন কমিটির ১২০–১৩০ জন সমন্বয়কের অধিকাংশই ছিল তাদের অনুসারী।
একইসঙ্গে ৩ আগস্টের পর বিশেষ করে ৪ আগস্টে চরমপন্থী জঙ্গি ও হেফাজতের উগ্র অংশ সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ দেয়।

R মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। obi BD’s Post

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

কোটা আন্দোলনের চালিকাশক্তি ছিল জামায়াত-শিবির

প্রকাশের সময় : ০৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

অনলাইন বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬

কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে থাকা নেপথ্য শক্তির ভয়ংকর গোপন পরিকল্পনা নিয়ে পুলিশের সাবেক বিশেষ শাখা (এসবি) প্রধান মনিরুল ইসলামের চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছেন!
তিনি বলেন― আন্দোলনের দৃশ্যমান মুখ সাধারণ শিক্ষার্থীরা হলেও পেছনের মূল চালিকাশক্তি ছিল জামায়াত-শিবির ও তাদের দেশি-বিদেশি নেটওয়ার্ক।
গোয়েন্দা রিপোর্টের বরাত দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, ছাত্রলীগের ভেতরেও ছদ্মবেশী ‘গুপ্ত শিবির’ ঢুকে পড়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে হলছাড়া করাসহ সুনির্দিষ্ট রুমগুলোতে হামলা চালানো হয়েছিল।
হারুনের কাস্টডিতে থাকা মূল সমন্বয়করা আন্দোলন প্রত্যাহারে প্রস্তুত হলেও নিয়ন্ত্রণ জামায়াতের হাতে চলে যায় বলে একটি ইন্টারসেপ্টেড অডিওর সূত্রে তিনি দাবি করেন। জামায়াত নেতারা স্পষ্ট জানিয়েছিল যে ছয় সমন্বয়ক আন্দোলন থামালেও তারা থামবে না, কারণ নতুন কমিটির ১২০–১৩০ জন সমন্বয়কের অধিকাংশই ছিল তাদের অনুসারী।
একইসঙ্গে ৩ আগস্টের পর বিশেষ করে ৪ আগস্টে চরমপন্থী জঙ্গি ও হেফাজতের উগ্র অংশ সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ দেয়।

R মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন। obi BD’s Post