, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যে

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ পড়া হয়েছে

অনলাইন সোমবার,২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাউদ হায়দার
শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যে
সব শালার চরিত্রই আমার জানা আছে, এবং
সব শালাই খাঁটি হারামজাদা; বললেন
আক্কেল আলী এবং বললেন : যতদিন যাচ্ছে
সব শালাই বাঞ্চোতে পরিনত হচ্ছে এবং খুবই দুঃখের বিষয়
সব শালাই আমার পরিচিত এবং আত্মীয়-বন্ধু-স্বজন।
কথাটি আরেকটি বিস্তৃত করে আক্কেল আলী বললেন :
প্রগতির ধ্বজাধারী বুদ্ধিজীবীর দল বিপদের গন্ধ পেলেই
ভাঁজা মাছ উল্টে খেতে জানে না, বরং
ত্রিকালের ফুলবাবু সেজে দিব্যি বধির, ভালোমানুষ।
এবং আক্কেল আলী ঠিক তক্ষুনি সব শালাদের চেহারায়
কতগুলো মুখোশ দিনে রাতে কী রকম যুৎসই তার বর্ণনা করে
বললেন : এইসব শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যেই
দেশটাও আজ রসাতলে গেল।
May be an image of one or more people. May be an image of one or more people. May be an image of one or more people. May be an image of one or more people

Azam Masud

ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সম্পর্কে শিষ্য আহমদ ছফার স্মৃতিচারণ।
===========================
“লেখকদের একটা মিছিল করার কথা উঠেছেল। আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। আমার তারিখটা মনে নেই; খুব সম্ভব উনিশ কিম্বা বিশ ফেব্রুয়ারী(১৯৭১) হবে। আমরা প্রস্তাব করলাম, মিছিল করবো। শহীদ মিনার থেকে তোপখানা রোডে সবাই মিছিল নিয়ে যাবো এবং লেখক সংঘ অফিসে একটা সভা করবো (আয়ুব খানের ‘রাইটার্স গিল্ডের’ পূর্বাঞ্চলীয় শাখার নাম, ‘লেখক সংঘ’, আয়ুব সরকার তোপখানায় তাদের একটা অফিস ও টেলিফোন দিয়েছিল, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন সাধারণ সম্পাদক)। সকলে রাজি হয়ে গেলেন। কিন্তু বাধ সাধলেন আমাদের ওস্তাদ ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি যুক্তি দিলেন আহমেদ ছফা এবং চ্যাংড়া পোলাপানরা একটা হঠকারী কাজ করতে যাচ্ছে। সুতরাং যাদের দায়িত্বজ্ঞান এবং বুদ্ধি আছে, তাদের কিছুতেই এ কাজে অংশ গ্রহণ করা উচিত নয়। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আমার শিক্ষক স্থানীয়। তাঁর কাছ থেকে আমি জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। তাঁর কাছে আমার যে ঋণ তার পরিমান অল্প নয় তথাপি একটি কথা বলবো। একসঙ্গে এস্টবলিশমেন্টের সর্বশ্রেষ্ঠ আসন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী হওয়ার দুরন্ত আকাংখা তাঁর মধ্যে এত প্রবল, অদ্যাবধি এই দুই বৈশিষ্টের দোলাচলবৃত্তি পেন্ডুলামের মত তাকে চঞ্চলচিত্ত করে রেখেছে। চৌধুরী সাহেবের আপত্তির হেতুটা পরে তরফদার সাহেব (ডঃ মমতাজুর রহমান তরফদার) আমাকে জানিয়েছিলেন। ইসলামাবাদে নাকি একটা ভাষা সেমিনার(সরকারী উদ্দ্যেগে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল একুশ কি বাইশে ফেব্রুয়ারী (১৯৭১)তারিখে। লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডঃ চৌধুরীর তাতে যোগদান করার কথা ছিলো। এখন কথা হলো, আমরা যদি মিছিলটা নিয়ে যাই, লেখক হিসেবে তাকে একটা কৈফিয়ত দিতে হয়। কৈফিয়তটা যদি কর্তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে প্লেনে চড়ে ইসলামাবাদ যাওয়াটা ভেস্তে যায়”।
“আনুপূর্বিক তসলিমা এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ”- আহমদ ছফা, পৃ-৯০

Ali Akbar Tabi’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যে

প্রকাশের সময় : ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন সোমবার,২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দাউদ হায়দার
শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যে
সব শালার চরিত্রই আমার জানা আছে, এবং
সব শালাই খাঁটি হারামজাদা; বললেন
আক্কেল আলী এবং বললেন : যতদিন যাচ্ছে
সব শালাই বাঞ্চোতে পরিনত হচ্ছে এবং খুবই দুঃখের বিষয়
সব শালাই আমার পরিচিত এবং আত্মীয়-বন্ধু-স্বজন।
কথাটি আরেকটি বিস্তৃত করে আক্কেল আলী বললেন :
প্রগতির ধ্বজাধারী বুদ্ধিজীবীর দল বিপদের গন্ধ পেলেই
ভাঁজা মাছ উল্টে খেতে জানে না, বরং
ত্রিকালের ফুলবাবু সেজে দিব্যি বধির, ভালোমানুষ।
এবং আক্কেল আলী ঠিক তক্ষুনি সব শালাদের চেহারায়
কতগুলো মুখোশ দিনে রাতে কী রকম যুৎসই তার বর্ণনা করে
বললেন : এইসব শালা ও বাঞ্চোতদের জন্যেই
দেশটাও আজ রসাতলে গেল।
May be an image of one or more people. May be an image of one or more people. May be an image of one or more people. May be an image of one or more people

Azam Masud

ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী সম্পর্কে শিষ্য আহমদ ছফার স্মৃতিচারণ।
===========================
“লেখকদের একটা মিছিল করার কথা উঠেছেল। আমরা বৈঠকে বসেছিলাম। আমার তারিখটা মনে নেই; খুব সম্ভব উনিশ কিম্বা বিশ ফেব্রুয়ারী(১৯৭১) হবে। আমরা প্রস্তাব করলাম, মিছিল করবো। শহীদ মিনার থেকে তোপখানা রোডে সবাই মিছিল নিয়ে যাবো এবং লেখক সংঘ অফিসে একটা সভা করবো (আয়ুব খানের ‘রাইটার্স গিল্ডের’ পূর্বাঞ্চলীয় শাখার নাম, ‘লেখক সংঘ’, আয়ুব সরকার তোপখানায় তাদের একটা অফিস ও টেলিফোন দিয়েছিল, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন সাধারণ সম্পাদক)। সকলে রাজি হয়ে গেলেন। কিন্তু বাধ সাধলেন আমাদের ওস্তাদ ডঃ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি যুক্তি দিলেন আহমেদ ছফা এবং চ্যাংড়া পোলাপানরা একটা হঠকারী কাজ করতে যাচ্ছে। সুতরাং যাদের দায়িত্বজ্ঞান এবং বুদ্ধি আছে, তাদের কিছুতেই এ কাজে অংশ গ্রহণ করা উচিত নয়। সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আমার শিক্ষক স্থানীয়। তাঁর কাছ থেকে আমি জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। তাঁর কাছে আমার যে ঋণ তার পরিমান অল্প নয় তথাপি একটি কথা বলবো। একসঙ্গে এস্টবলিশমেন্টের সর্বশ্রেষ্ঠ আসন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবী হওয়ার দুরন্ত আকাংখা তাঁর মধ্যে এত প্রবল, অদ্যাবধি এই দুই বৈশিষ্টের দোলাচলবৃত্তি পেন্ডুলামের মত তাকে চঞ্চলচিত্ত করে রেখেছে। চৌধুরী সাহেবের আপত্তির হেতুটা পরে তরফদার সাহেব (ডঃ মমতাজুর রহমান তরফদার) আমাকে জানিয়েছিলেন। ইসলামাবাদে নাকি একটা ভাষা সেমিনার(সরকারী উদ্দ্যেগে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছিল একুশ কি বাইশে ফেব্রুয়ারী (১৯৭১)তারিখে। লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ডঃ চৌধুরীর তাতে যোগদান করার কথা ছিলো। এখন কথা হলো, আমরা যদি মিছিলটা নিয়ে যাই, লেখক হিসেবে তাকে একটা কৈফিয়ত দিতে হয়। কৈফিয়তটা যদি কর্তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য না হয়, তাহলে প্লেনে চড়ে ইসলামাবাদ যাওয়াটা ভেস্তে যায়”।
“আনুপূর্বিক তসলিমা এবং অন্যান্য স্পর্শকাতর প্রসঙ্গ”- আহমদ ছফা, পৃ-৯০

Ali Akbar Tabi’s Post

মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।