, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে রাহুল-মমতারা মিছিল করে যাবেন সুপ্রিম কোর্টে,মিছিলে গোটা ভারত হাঁটবে। সোমবার দিল্লি পুলিশ পরীক্ষায় রোটন তাঁর বাবার চেহলাম আয়োজনে ও বাধা ফজলে করিম চৌধুরী! আমাদের বিড়ি টানা,হাতাকাটা জামা পরার উপর যতক্ষণ না আক্রমণ আসবে ততোক্ষণ ? এই মানুষ এভাবে পচে গেল কেন? অবশেষে ডিপ স্টেট এবং ইউনূস ও খলিল সাহেবদের সাকসেস! রোটন ভাইয়ের জানাজা পড়তে যাওয়া মুসল্লীদের মসজিদ থেকে বের করে, নির্মম নির্যাতন করেছে বিএনপির ক্যাডাররা!! জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম মুসলিম সভাপতি — বদরুদ্দীন তৈয়বজী পাকিস্তানপন্থী খাঁটি মুসলমান ইনকিলাব মঞ্চ বাবা-মায়ের কাছ থেকে যা শিখেছি ত্রপা মজুমদার

স্মরণ : জাঁদরেল অভিনেতা সাইফুদ্দিন

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৭ পড়া হয়েছে

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬
স্মরণ –
জাঁদরেল অভিনেতা সাইফুদ্দিন
—————————————————-
অভিনেতা সাইফুদ্দিন আহমেদ, যিনি শুধু সাইফুদ্দিন নামেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে অধিক পরিচিত ছিলেন। অভিনয় করেছেন নিয়মিত টেলিভিশন নাটকেও।
জন্ম আসামের ধুবরিতে ১৯২৭ এ
১৯৫৬ সালে আব্দুল জব্বার খান নির্মিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম বাংলা ও সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনেতা হিসেবে অভিষেক ঘটে।
তিনি ষাটের দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত চলচ্চিত্রে নিয়মিত ছিলেন। এসময় তিনি প্রায় চারশো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে মুখ ও মুখোশ, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, চাওয়া পাওয়া, আঁকাবাঁকা, ময়নামতি, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জলছবি, মধু মিলন, বধু বিদায়, আরাধনা, সুন্দরী, শহর থেকে দূরে, শেষ উত্তর, বড় ভাল লোক ছিল, দহন, অভিমান, কুমারী মন প্রভৃতি।
অভিনেতা সাইফুদ্দিন ১৯৭৯ সালে পরিচালক আমজাদ হোসেনের ‘সুন্দরী’ চলচ্চিত্রে একজন মেথরের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
সাইফুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম। তাঁদের পরিবারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে। চলচ্চিত্র পরিচালক আবদুল জব্বার খান সম্পর্কে তাঁর ভগ্নিপতি।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান ও জাঁদরেল এই অভিনেতার প্রয়াণ ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post

\ মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।

জনপ্রিয়

গণভবনের ভিডিও ধারণসহ রেকিকরা হয় শাইখ সিরাজের নেতৃত্বে

স্মরণ : জাঁদরেল অভিনেতা সাইফুদ্দিন

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অনলাইন রবিবার,২৭সেপ্টেম্বর২০২৬
স্মরণ –
জাঁদরেল অভিনেতা সাইফুদ্দিন
—————————————————-
অভিনেতা সাইফুদ্দিন আহমেদ, যিনি শুধু সাইফুদ্দিন নামেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে অধিক পরিচিত ছিলেন। অভিনয় করেছেন নিয়মিত টেলিভিশন নাটকেও।
জন্ম আসামের ধুবরিতে ১৯২৭ এ
১৯৫৬ সালে আব্দুল জব্বার খান নির্মিত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম বাংলা ও সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনেতা হিসেবে অভিষেক ঘটে।
তিনি ষাটের দশক থেকে নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত চলচ্চিত্রে নিয়মিত ছিলেন। এসময় তিনি প্রায় চারশো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে মুখ ও মুখোশ, স্বপ্ন দিয়ে ঘেরা, চাওয়া পাওয়া, আঁকাবাঁকা, ময়নামতি, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জলছবি, মধু মিলন, বধু বিদায়, আরাধনা, সুন্দরী, শহর থেকে দূরে, শেষ উত্তর, বড় ভাল লোক ছিল, দহন, অভিমান, কুমারী মন প্রভৃতি।
অভিনেতা সাইফুদ্দিন ১৯৭৯ সালে পরিচালক আমজাদ হোসেনের ‘সুন্দরী’ চলচ্চিত্রে একজন মেথরের চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্বচরিত্রে অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
সাইফুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম। তাঁদের পরিবারে এক ছেলে ও তিন মেয়ে। চলচ্চিত্র পরিচালক আবদুল জব্বার খান সম্পর্কে তাঁর ভগ্নিপতি।
২০১০ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান ও জাঁদরেল এই অভিনেতার প্রয়াণ ঘটে। শ্রদ্ধাঞ্জলি।
— মেসবা খান

Mesba Khan’s Post

\ মতামতঃ লেখকের নিজস্ব। এ লেখার  কোন দায় ডিজিটাল পত্রিকার কতৃপক্ষ দায়ী নন।